নিজস্ব প্রতিবেদক
২০২৪ সালের ১৫ জুলাই কোটা বিরোধী আন্দোলন আরও তীব্র হয়ে ওঠে। সারাদেশে শিক্ষার্থীরা রাজপথ, রেলপত্র, নৌপথ অবরোধ করে। এতে সারাদেশের সঙ্গে ঢাকার যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। রাজদানীর অফিসগামীদের হেটে চলাচল করতে দেখা যায়। এদিন ছাত্রলীগ, আওয়ামী লীগ, যুবলীগসহ তাদের বিভিন্ন সংগঠণের নেতা কর্মীরা মাছে সক্রিয় থাকে। বিভিন্ন পাড়া মহল্লায় বা মোড়ে মোড়ে লাঠিশোঠা আগ্নয়াস্ত্রসহ অবস্থান নেয়। তারা সাধারন শিক্ষার্থীদেরও মারপিট করে। পুলিশ বেপরোয়া গতিতে গুলি, টিয়ারগ্যাস নিক্ষেপ করে। এসবকে তোয়াক্কা না করেই ছাত্ররা মাছে প্রতিরোধ গড়ে তোলে। ফলে আন্দোলন আরও বেগবান হয়। এতে বেপরোয়া হয়ে ওঠে ছাত্রলীগ। তারা শিক্ষার্থীদের ওপর গুলি বর্ষন করে। এতে হাজার হাজার শিক্ষার্থী আহত হয়। তাদেরকে চিকিৎসা নিতেও বাধা দেওয়া হয়। ছাত্রলীগ বেপরোয়া হলেও তারাও তীব্র প্রতিরোধের মুখে পড়ে। এক পর্যায়ে রাষ্ট্রের সব যন্ত্রকে ব্যবহার করে। বিভিন্ন স্থানে ইন্টারনেট সেবাও সীমিত করা হয়। ড্রোন দিয়ে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষক করে।
এদিন আন্দোলনে দমনে রাতে গণভবনে সাবেক প্রধানমন্ত্রী আইন প্রয়োগকারী সংস্থার শীর্ষ কর্তাসহ দলীয় নেতাকর্মিদের সঙ্গে বৈঠক করেন। এতে আন্দোলনে দমন করতে শক্ত অবস্থান নেওয়ঢার নির্দেশ দেন শেখ হাসিনা। কিন্তু পর দিন আন্দোলন আরও জ্বলে ওঠে।
