নিজস্ব প্রতিবেদক
বাংলাদেশ ব্যাংক বাজারে সুদের হার কমানোর ইঙ্গিত দিয়েছে। মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় ব্যাংক বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে ধার দেওয়ার একটি উপকরণের নীতি সুদের হার কিছুটা কমিয়েছে। ফলে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে জরুরী প্রয়োজনে ব্যাংকগুলোর ধার করার খরচ কিছুটা কমবে। ফলে ব্যাংকগুলোর তহবিল ব্যবস্থাপনা ব্যয়ও কিছুটা কমে যাবে। এর প্রভাবে ব্যাংকগুলো ঋণের সুদের হার কিছুটা হলেও কমাতে পারবে। দীর্ঘ সময় পর কেন্দ্রীয় ব্যাংক নীতি সুদের হার কিছুটা কমালো। তবে মূল নীতি সুদের হার অর্থাৎ রেপোর সুদের হারসহ অন্যান্য উপকরেণর সুদেও হার কমানো হয়নি।
এ বিষয়ে মঙ্গলবার বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে একটি সার্কুলার জারি করে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো হয়েছে। এ নির্দেশনা আজ বুধবার থেকে কার্যকর হবে বলে সার্কুলারে জানানো হয়েছে।
সার্কুলারে বলা হয়, আজ বুধবার থেকে ব্যাংকগুলোকে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে আমানত হিসাবে অর্থ দেওয়ার উপকরণ স্ট্যান্ডিং ডিপোজিট ফ্যাসিলিটির (এসডিএফ) সুদের হার সাড়ে ৮ শতাংশ থেকে দশমকি ৫০ শতাংশ কমিয়ে ৮ শতাংশ নির্ধারন করা হয়েছে। তবে নীতি সুদের হারের উর্ধ্বসীমা স্ট্যান্ডিং লেন্ডিং ফ্যাসিলিটি (এসএলএফ) সুদের হার সাড়ে ১১ শতাংশ এবং ওভার নাইট রেপো নীতি সুদের হার ১০ শতাংশে অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।
সূত্র জানায়, ব্যাংকগুলো জরুরী প্রয়োজনে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে এসডিএফ এর আওতায় ধার নিতে পারে। এর সুদের হার কমানোর ফলে ব্যাংকগুলোর তহবিল ব্যবস্থাপনার খরচ কিছুটা কমে যাবে। এতে ব্যাংকগুলো সুদের হার কিছুটা হলেও কমাতে পারবে। এর মাধ্যমে কেন্দ্রীয় ব্যাংক বাজারে সুদের হার কমানোর একটি ইঙ্গিত দিল। এখন ব্যাংকগুলো প্রয়োজনীয় ব্যবস্তা নেবে।
নতুন অর্থবছরের মুদ্রানিিত প্রনয়নের আগে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই ধরনের সিন্ধান্তকে অনেকেই ইতিবাচক হিসাবে দেখছেন। এর মাধ্যমে মনে করা হচ্ছে, নতুন মুদ্রানীতি কিছুটা শিথিল করবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
যদিও আইএমএফ মুদ্রানিিত কঠোর করার পরামর্শ দিয়েছে। তাদের এই পরামর্শ থেকে বেরিয়ে নতুন মুদ্রানীতিকে বিনিয়োগ বান্ধব করার দিকে এগুচ্ছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
