নিজস্ব প্রতিবেদক
ডলারের দাম সর্বো”চ পর্যায় থেকে কিছুটা কমে ¯ি’তিশীল হয়েছে। গত চার দিন ধরে এর দামে বড় ধরনের উথÍান পতন হ”েছ না। কাছাকাছি থেকে ওঠানামা করছে। আন্ত:ব্যাংকে ডলারের দাম ১২১ টাকার ঘরে ও ব্যাংকগুলোতে ১২২ টাকার ঘরে রয়েছে। গড়ে আন্ত:ব্যাংকে ১২১ টাকা ৫০ পয়সা এবং ব্যাংকে ১২২ টাকা ৪০ পয়সা। কেন্দ্রীয় ব্যাংক মনে করছে, বর্তমানে এটাই ডলারের ¯ি’তিশীল দাম হতে পারে। তবে আগামী আমদানি বাড়লে ডলারের দামও কিছুটা বাড়তে পারে।
মঙ্গলবার আন্ত:ব্যাংকে প্রতি ডলার সর্বনিম্ম ১২১ টাকা ৩৫ পয়সা ও সর্বো”চ ১২১ টাকা ৫৫ পয়সা দরে বেচাকেনা হয়েছে। ওই দামে মঙ্গলবার আন্ত:ব্যাংকে ২ কোটি ৫৮ লাক ডলার বেচাকেনা হয়েছে। বাজার স্তিতিশীল তাকায় গত দুই দিন ধওে কেন্দ্রীয় ব্যাংক দাম বাড়িয়ে কোন ডলার কেনেনি। গত চার দিন ধরে ডলার সর্বো”চ ১২১ টাকা ৮০ পয়সা থেকে ১২১ টাকা ৩০ পয়সার মধ্যে ওঠানামা করছে।
তবে ব্যাংকগুলো এখনও প্রতি ডলার আমদানির জন্য ১২২ টাকা ২০ পয়সা থেকে ১২২ টাকা ৮০ পয়সায় বিক্রি করছে। কোন কোন ব্যাংক সর্বো”চ ১২৩ টাকতায়ও বিক্রি করছে। তবে গ্রাহকের কাছে বিক্রির ডলারের দাম রয়েছে ১২২ টাকা ৪০ পয়সা।
ব্যাংকগুলোতে রেমিটেন্স ও রপ্তানি আয়ের প্রবাহ বাড়ায় ডলারের সরবরাহও বৃদ্ধি পেয়েছে। এছাড়াও আমদানি বাড়লেও নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। যে কারণে ডলারের দাম কমছে।
তবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ডলারের দাম বেশি কমতে দি”েছ না। কারণ বেশি কমে গেলে রেমিটেন্স ও রপ্তানিতে নেতিবাচক প্রবাব পড়বে। কারণ এমনিতেই রপ্তানি খাত এখন চ্যালেঞ্জের মধ্যে রয়েছে।
এদিকে ক্যাশ ডলার ব্যাংকগুলো ১২৩ টাকা থেকে ১২৪ টাকা দরে বিক্রি করছে। মানি চেঞ্জার্স প্রতিষ্টানগুলোও প্রতি ডলার সর্বো”চ ১২৪ টাকা বিক্রি করছে। তবে খোলা বাজারে এর আরও কিছুটা বেশি। সর্বো”চ ১২৫ টাকা করে বিক্রি হ”েছ।
এদিকে রেমিটেন্স প্রবাহ বাড়ায় দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে যা”েছ। গত সপ্তাহে রিজার্ভ বেড়ে ৩ হাজার ৮০ কোটি ডলারে ওঠেছিল। এ সপ্তাহে কিছু দেনা পরিশোধ করায় ৩ হাজার ২৩ কোটি ডলারে নেমে এসেছে। গত জুলাইয়ের প্রথম সপ্তাহে এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নের দেনা শোধের পর ২ হাজার ৯০০ কোটি ডলারের ঘরে নেমে গিয়েছিল।
