নিজস্ব প্রতিবেদক
ব্যাংকগুলোতে ডলারের দাম আরও কমেছে। গত বৃহস্পতিবার প্রতি ডলার গড়ে ১২১ টাকা ৬২ পয়সা দামে বিক্রি হয়েছে। গত বুধবার ছিল ১২২ টাকা। এক দিনের ব্যবধানে দাম কমেছে ৩৮ পয়সা। গত দেড় সপ্তাহের ব্যবধানে কমেছে ১ টাকা ৩৮ পয়সা। দেড় সপ্তাহ আগে প্রতি ডলারের দাম সর্বোচ্চ ১২৩ টাকায় ওঠেছিল।
বৃহস্পতিবার ব্যাংকগুলোতে প্রতি ডলার বিক্রি হয়েছে সর্বনিম্ম ১২১ টাকা ৪০ পয়সায়। সর্বোচ্চ বিক্রি হয়েছে ১২১ টাকা ৯৫ পয়সা। গড়ে ডলারের দাম ছিল ১২১ টাকা ৬২ পয়সা।
ব্যাংক খাতে রেমিটেন্স, রপ্তানি আয় বাড়ার কারণে ডলারের প্রবাহ বেড়েছে। এ কারণে ব্যাংকে ডলারের চাহিদাও কম। যে কারণে এর দাম কিছুটা কমেছে। তবে দুর্বল কিছু ব্যাংক এখনও চড়া দামে ডলার কিনছে। যে কারণে তারা চাড়া দামে বিক্রি করছে। এতে ডলারের গড় দাম একটু বেশি পড়ছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক মনে করে দুর্বল ব্যাংকগুলো সবল হলে ডলারের দাম আরও কিছুটা কমবে। তবে এর দাম কমার কারণে রপ্তানি আয় ও রেমিটেন্সে যাতে কোন নেতিবাচক প্রভাব না পড়ে সেদিকে সতর্ক দৃষ্টি রাখা হচ্ছে।
এর আগে আইএমএফের চাপে গত মাসের মাঝামাঝি সময়ে ডলারের দাম বাজারে ছেড়ে দেওয়া হয়। কিন্তু বাজার তদারকিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক জোরদার তৎপরতা চালায়। যে কারণে বাজারের ওপর ছাড়া হলেও ডলার নিয়ে কেউ কারসাজি করতে পারেনি।
সূত্র জানায়, ব্যাংকগুলোর বকেয়া ঋণের দায় পরিশোধের চাপ কমেছে। এখন শুধু চলতি আমদানির এলসির দায় পরিশোধ করতে হচ্ছে। তবে সরকারি খাতে এখনও জ্বালানি খাতের বেশ কিছু বকেয়া রয়ে গেছে। সেগুলো কেন্দ্রীয় ব্যাংক পর্যায়ক্রমে পরিশোধ করছে। যে কারণে ব্যাংকগুলোতেও ডলারের চাপ কম।
এছাড়া আইএমএফ, বিশ্বব্যাংক, এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক, জাইকাসহ বিভিন্ন সংস্থা থেকে ঋণের অর্থ ছাড় করায় রিজার্ভ বেড়েছে। গত সোমবার ২০১ কোটি ডলার এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নের দায় পরিশোধের পরও গ্রস রিজার্ভ এখন ৩ হাজার কোটি ডলারের কাছাকাছি রয়েছে।
