নিজস্ব প্রতিবেদক
২৯ জুলাই বিশ্ব বাঘ দিবস। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও দিবসটি পালিত হবে। এ দিবসটি বাঘ সংরক্ষণের প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়াতে এবং এ মহাবিপন্ন প্রাণীটিকে রক্ষার কার্যক্রমকে জোরদার করার লক্ষ্যে পালন করা হয়ে থাকে।
বাঘ এক সময় পৃথিবীর অনেক অঞ্চলে বিচরণ করলেও বর্তমানে এটি একটি বিপন্ন প্রজাতি। বন উজাড়, শিকার ও আবাসস্থল সংকোচনের কারণে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বাঘের সংখ্যা আশঙ্কাজনকভাবে হ্রাস পেয়েছে। বর্তমানে বিশ্বে আনুমানিক মাত্র ৪ হাজারের মতো বাঘ অবশিষ্ট রয়েছে। এ সংখ্যাও দিন দিন কমছে।
বাংলাদেশে সুন্দরবন হচ্ছে রয়েল বেঙ্গল টাইগারের একমাত্র আবাসস্থল। একসময় সুন্দরবনে ৪০০ এর বেশি বাঘ ছিল বলে ধারণা করা হতো। সর্বশেষ জরিপ অনুযায়ী, বর্তমানে সেখানে প্রায় ১১৪টি বাঘ রয়েছে। বন বিভাগ, বিভিন্ন সংস্থা ও স্থানীয় জনগণের উদ্যোগে বাঘ রক্ষায় নানা কার্যক্রম চলমান রয়েছে। তারপরও বাঘের সংখ্যা কমছে। এর কারণ হচ্ছে, বনে বাঘের খাবার মানুষ নিয়ে আসেছে। বাঘ পড়ছে খাদ্য সংকটে। ফলে বাঘ খাদ্যের জন্য মানুষের আবাসস্থলে হানা দিচ্ছে। এতে মানুষ বাঘ মেরে ফেলছে।
এই দিবসটি মনে করিয়ে দেয়, প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষায় বাঘের মতো শিকারি প্রাণীদের গুরুত্ব কতটা। বাঘ রক্ষা করা মানে শুধু একটি প্রাণীকে নয়, বরং পুরো বন ও পরিবেশ ব্যবস্থাকে রক্ষা করা।
এ কারণে শ্লোগান দেওয়া হয় “বাঘ বাঁচলে, বন বাঁচবে; বন বাঁচলে, দেশ বাঁচবে।” কারণ বাঘের বয়ে বনে মানুষ যেতে ভয় পায়। ফলে বন রক্ষা পায়।
এদিকে পার্বত্য চট্টগ্রামের গহীন বনেও এক সময় বাঘি ছিল। এখন নেই বললেই চলে। তবে সম্প্রতি চট্টগ্রামের গহীণ অঞ্চলে বাঘ দেখা গেছে বলে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে খবর বেরিয়েছে।
