নিজস্ব প্রতিবেদক
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পর পর তিন দিনের হস্তক্ষেপে ডলার বাজারে স্তিতিশীলতা ফিরে আসতে শুরু করেছে। গত মঙ্গলবারের তুলনায় বুধবার ডলারের দাম কিছুটা কমেছে। তবে আগের মত বেশি হারে কমেনি। এক দিনের ব্যবধানে ডলারের দাম গড়ে ১৮ পয়সা কমেছে। সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ম দামেও আগের তুলনায় অনেক কম হারে কমেছে। এদিকে বুধবারও কেন্দ্রীয় ব্যাংক বাজার থেকে নিলামের মাধ্যমে ডলার কিনেছে।
এর আগে টানা চার দিনে ডলারের দাম কমেছিল ৩ টাকা ৩৯ পয়সা। সোমবার কেন্দ্রীয় ব্যাংক হস্তক্ষেপ করে ডলারের দাম স্থিতিশীল রাকার চেষ্টা করে। এর চেষ্টার অংশ হিসাবে গত মঙ্গলবার ও বুধবারও বাজারে হস্তক্ষেপ করেছে। বাজার দরের চেয়ে বেশি দামে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ডলার কেনায় এর দামে স্থিতিশীলতা ফিরে এসেছে। বুধবার আন্ত:ব্যাংকে প্রতি ডলার সর্বোচ্চ ১২১ টাকা ২০ পয়সা ও সর্বনিম্ম ১২০ টাকা ৭৭ পয়সা দরে বিক্রি হয়েছে। এদিন ডলারের গড় দাম ছিল ১২০ টাকা ৯৩ পয়সা।
গত মঙ্গলবার ডলারের সর্বোচ্চ দাম ১২১ টাকা ৫০ পয়সা এবং সর্বনিম্ন দাম ১২০ টাকা ৮০ পয়সায় ওঠে। গড় দাম ছিল ১২১ টাকা ১১ টাকা। গড় দামের হিসাবে মঙ্গলবারের তুলনায় বুধবার ডলারের দাম কমেছে ১৮ পয়সা।
ঊ্যাংকারা এটাকে স্বাভাবিক মনে করছেন। কারণ গত মে মাসের মাঝামাঝি সময়ে ডলারের দাম বাজারের ওপর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। যে কারণে দাম একটু ওঠানামা করতেই পাড়ে। কিন্তু কিন্তু গত সপ্তাহের ডলারের দাম বেশ কমেছে। গত রোববারও কমেছে। সোমবার বাজার স্থিতিশীল করতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক হস্তক্ষেপ করে। এরপর দুই দিন হস্তক্ষেপ করায় ডলারের দামে স্থিতিশীলতা ফিরে এসেছে।
বুধবার আন্ত:ব্যাংকে লেনদেন হয়েছে ৪ কোটি ৫৫ লাখ ডলার। ডলার বাজার স্বাভাবিক রাখতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক বেশ কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে। এসব পদক্ষেপের ফলে বাজারে ডলারের দাম স্থিতিশীল হচ্ছে। ডলারের দাম কমায় ব্যাংকগুলোতে এর সঙ্গে অন্যান্য বৈদেশিক মুদ্রার দামও কিছুটা কমেছে।
রেমিটেন্সের ডলারের দাম যাতে বেশি না কমে এবং রপ্তানি আয়ের ডলার নগদায়নে যাতেও কোন সমস্যা না হয় সেজন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংক এসব পদক্ষেপ নিয়েছে।
ব্যাংকে ডলারের দাম কমলেও খোলা বাজারে এর দামে তেমন কোন ওঠানামা নেই। তবে কিছুটা কমে ১২২ টাকা করে প্রতি ডলার বিক্রি হচ্ছে। দুই সপ্তাহ আগে ছিল ১২৩ টাকা।
