নিজস্ব প্রতিবেদক
অতিরিক্ত শুল্ক দেওয়ার কারণে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের পণ্য রপ্তানিতে বাধাগ্রস্থ হওয়ার আশংকা নেই। বাংলাদেশ প্রতিযোগিতামূলক অবস্থায় থেকে পণ্য রপ্তানি করতে পারবে। কারণ বাংলাদেশের প্রতিযোগি দেশগুলোতে শুল্ক ২০ শতাংশের পাশাপাশি কোন কোন দেশে বেশি রয়েছে। কয়েকটি দেশে ১ শতাংশ কম ১৯ শতাংশ শুল্ক রয়েছে। এতে প্রতিযোগি দেশগুলোর তুলনায় বাংলাদেশ বেশি শুল্ক দিতে হবে না। ফলে বাংলাদেশের পোশাকের দাম প্রতিযোগি দেশগুলোর মতোই থাকবে।
Advertisement
শুক্রবার (১ আগস্ট) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে এ তথ্য জানিয়েছেন প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের তৃতীয় দফার শুল্ক আলোচনা শেষ হওয়ার পর হোয়াইট হাউজ থেকে স্টেটসমেন্ট দিয়ে জানানো হয় বাংলাদেশের ওপর ২০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হয়েছে। এর আগে এই শুল্ক আরোপ করা হয়েছিল ৩৭ শতাংশ। পরে কমিয়ে ৩৫ শতাংশ করা হয়। ১ আগস্ট চূড়ান্ত আলোচনা শেষে শুল্ক ২০ শতাংশের ঘোষণা এসেছে।
বাণিজ্য উপদেষ্টা তার তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় বলেছেন, বাংলাদেশের ওপর ২০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করায় আমরা প্রতিযোগিতামূলক অবস্থায় থাকব। যুক্তরাষ্ট্রে আমাদের রফতানি বাধাগ্রস্ত হওয়ার আশংকা নেই।
এদিকে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মোহাম্মদ ইউনূস যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তিকে বাংলাদেশের কূটনৈতিক বিষয় বলে উল্লেখ করেছেন। এ জন্য তিনি বাংলাদেশের বাণিজ্য প্রতিনিধি দলকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।
