নিজস্ব প্রতিবেদক
বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ইতিহাসে জুলাই আন্দোলন এক অনন্য সাহসিকতার দিন। রাজপথে যখন সাধারণ মানুষের কণ্ঠরোধের চেষ্টা চলে, তখন সাংস্কৃতিক অঙ্গনের কর্মীরা চুপ করে বসে থাকেননি। তারা রাজপথে নেমে প্রমাণ করেছিলেন নাটক, গান, কবিতা শুধু বিনোদন নয়, প্রতিবাদের ভাষাও হতে পারে। বিশেষ করে থিয়েটার জগতের শিল্পীরা ছিলেন সরব ও অগ্রণী।
গত বছরের ১৯ জুলাই ‘বিক্ষুব্ধ থিয়েটারকর্মীগণ’-এর ব্যানারে শত শত মঞ্চকর্মী একত্র হয়ে সংসদ ভবনের সামনে অবস্থান নেন। তারা শাসক বাহিনীর চোখ রাঙানি উপেক্ষা করে নামেন রাজপথে। পুলিশি হয়রানি, বাধা, এমনকি হেনস্তার মুখে পড়েও তারা রাজপথ ছাড়েননি।
সেই স্মৃতিকে জাগরুক রাখতে শিল্পকলা একাডেমিতে আয়োজন করা করা হয়েছে জুলাই নাট্যোৎসবের।এই আয়োজন শুধু একটি সাংস্কৃতিক প্রতিক্রিয়া নয়; বরং একটি ঐতিহাসিক মুহূর্তের শিল্পভাষ্যে অনুবাদ। আন্দোলন আর নাটক এক হয়ে গেছে এই জুলাই আন্দোলনের সময়কালে।
নতুন প্রজন্ম দেখেছে, কীভাবে থিয়েটার হয়ে উঠতে পারে চেতনার দ্রোহ। জুলাই ২৪ মনে করিয়ে দেয়, নাটক কখনও নিরপেক্ষ থাকে না। মঞ্চকর্মীরা কেবল চরিত্রে অভিনয় করেন না, সময়ের সঙ্গে লড়াইও করেন। নাটক থেমে যায়, কিন্তু প্রতিরোধের গল্প থেকে যায়। এমনটিই মনে করছেন থিয়েটার কর্মীরা।
