নিজস্ব প্রতিবেদক
কোটা পদ্ধতি সংস্কারের এক দফা দাবিতে শিক্ষার্থীদের নেয়া কর্মসূচির মধ্যে ‘বাংলা ব্লকেড’ অন্যতম। দেশের প্রায় সব মহাসড়কেই অবস্থান নেন আন্দোলনকারীরা ৭ জুলাই থেকে কর্মসূচিটি পালন করেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। ব্লকেড চলাকালীন শিক্ষার্থীদের কোটাবিরোধী নানা স্লোগানে মুখরিত হয় স্ব স্ব এলাকা। এ সময় পুরো রাজধানীসহ সারা দেশে ব্লকেডে কার্যত অচল হয়ে পড়ে এসব সড়ক মহাসড়ক। রাজধানীতে শিক্ষার্থীরা শাহবাগ মোড়, সায়েন্স ল্যাব, নীলক্ষেত, চানখাঁরপুল, হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের সামনের মোড় ও আগারগাঁও মোড় অবরোধ করায় এসব এলাকা দিয়ে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। ফলে অফিস শেষে ঘরমুখী মানুষ ভোগান্তিতে পড়েন। এ ছাড়া ঢাকা-চট্টগ্রাম, ঢাকা-বরিশাল, ঢাকা-আরিচা, কুষ্টিয়া-খুলনা, সিলেট-সুনামগঞ্জ ও ঢাকা-খুলনাসহ বিভিন্ন মহাসড়কেও তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে প্রায় ৩০ কি.মি. যানজটে আটকা পড়ে শত শত গাড়ি। এতে চরম দুর্ভোগের শিকার হন যাত্রী ও পরিবহণ শ্রমিকরা। শিক্ষার্থীরা বিকেল ৪টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত শাহবাগ মোড়ে অবস্থান নেন।
সরকারি চাকরিতে কোটা বাতিলের পরিপত্র পুনর্বহালের দাবিতে ব্লকেড চালিয়ে যাবে বলে ঘোষণা দেয় শিক্ষার্থীরা। এদিন সমন্বয়করা কোনো বাধা এলে প্রতিরোধ করবে বলে হুঁশিয়ারি দেন। এর আগে সমন্বয়ক নাহিদ ইসলাম এ ঘোষণা দেন। এর আগে সন্ধ্যা ৭টার দিকে আন্দোলনকারীদের চার সমন্বয়ককে আলোচনার জন্য নিয়ে যায় পুলিশ। সেখান থেকে ফিরে এ ঘোষণা দেন তারা। এ ছাড়াও আন্দোলনে কোনো ধরনের বাধা দেয়ার চেষ্টা হলে তীব্র প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেয়া হয়।
৮ জুলাই (সোমবার) বেলা ৩টা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে জড়ো হতে শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। সেখান থেকে বেলা সাড়ে ৩টায় বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে লেকচার থিয়েটার ভবন, মাস্টার দা সূর্য সেন হল, হাজী মুহম্মদ মুহসীন হল, ভিসি চত্বর, টিএসসির রাজু ভাস্কর্য হয়ে শাহবাগ মোড় অবরোধ করেন শিক্ষার্থীরা। এ সময় তারা ‘অবরোধ অবরোধ, শাহবাগ অবরোধ’, দফা এক দাবি এক, কোটা নট কাম ব্যাক’, ‘সংবিধানের/মুক্তিযুদ্ধের মূলকথা, সুযোগের সমতা’, ‘সারা বাংলায় খবর দে, কোটা প্রথার কবর দে’, ‘দালালি না রাজপথ, রাজপথ রাজপথ,’ ‘আঠারোর হাতিয়ার, গর্জে উঠুক আরেকবার, ‘লেগেছে রে লেগেছে, রক্তে আগুন লেগেছে’, ‘কোটা প্রথা, বাতিল চাই বাতিল চাই’ ইত্যাদি স্লোগান দিতে থাকেন।
শিক্ষার্থীদের মিছিল শাহবাগ পৌঁছার পর সেখান থেকে কিছু শিক্ষার্থী গিয়ে ইন্টারকন্টিনেন্টাল, কাওরান বাজার ও মিন্টো রোডের মোড় অবরোধ করেন। বেলা সাড়ে ৩টার দিকে সায়েন্স ল্যাব অবরোধ করেন ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীরা। অন্য দিকে নীলক্ষেত মোড় অবরোধ করেন ইডেন কলেজ ও হোম ইকনোমিক্স কলেজের শিক্ষার্থীরা। আর চানখাঁরপুল, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজসংলগ্ন মেয়র হানিফ ফ্লাইওভারে উঠার রাস্তা অবরোধ করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অমর একুশে হল, ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ হলের শিক্ষার্থীরা। রাত সাড়ে ৮টায় কর্মসূচি ঘোষণা করে শাহবাগ ছাড়েন আন্দোলনকারীরা।
আন্দোলনের অন্যতম সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ সরকারের উদ্দেশে বলেন, ছাত্রদের যদি কোনো ক্ষতি হয় তার দায়ভার আপনাদের নিতে হবে। আমরা থাকব রাস্তায় আর আপনারা থাকবেন এসি রুমে; সেটি হবে না। আপনারা যদি অতি সত্বর আমাদের সাথে আলোচনা না করেন তাহলে বুঝব আমাদের পালস বুঝতে পারেননি।
সারজিস আলম বলেন, বাংলাদেশ মনে করেছিল ছাত্র-জনতা ঘুমিয়ে গিয়েছে কিন্তু ছাত্র সমাজ ঘুমিয়ে পড়েনি। যখনই প্রয়োজন হবে ছাত্র সমাজ আবারো ২৪-এর মতো জেগে উঠবে। তিনি বলেন, শিক্ষামন্ত্রী বলেন হাইকোর্টের রায় মেনে নিতে। আমরা শিক্ষামন্ত্রীকে প্রশ্ন করতে চাই কোটার প্রতি আপনার এত দরদ কেন? আপনি কি কোটার প্রডাক্ট নাকি। আজকে ঢাকা শহর ব্লকেড হয়েছে। এ ছাড়াও ৪০টি জেলায় ব্লকেড হয়েছে।
তিনি সরকারকে উদ্দেশ করে বলেন, এখন সরকারকে এক দফা দিয়ে দিয়েছি। এখন বল সরকারের কোর্টে। সরকার এবং জনপ্রশাসনকে আমাদের এক দফা দাবি বাস্তবায়ন করতে হবে। আমাদের যারা আন্দোলনে অংশ নিয়েছে তাদের যদি কোনো বাধা দেয়া হয় তাহলে কঠোর জবাব দেয়া হবে। আমরা এবার সর্বাত্মক ব্লকেডের পরিকল্পনা করছি।
এদিকে কোটার যৌক্তিক সংস্কারের দাবিতে চলমান আন্দোলনকে বেগবান করতে ৬৫ সদস্যের সমন্বয়ক টিম গঠন করা হয়েছে। এর মধ্যে প্রধান চার সমন্বয়কই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) বিভিন্ন বর্ষের শিক্ষার্থী। সোমবার এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ আন্দোলনের সমন্বয়ক টিমের বিষয়ে জানানো হয়। কোটা বৈষম্যের বিরুদ্ধে ও স্থায়ী সমাধানের দাবিতে আন্দোলন সফল করতে শিক্ষার্থী প্রতিনিধিদের নিয়ে এ সমন্বয়ক টিম গঠনের কথা বলা হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে।
অন্যতম প্রধান চার সমন্বয়ক হলেন- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের নাহিদ ইসলাম, ইংরেজি বিভাগের হাসনাত আবদুল্লাহ, প্রাণিবিদ্যা বিভাগের সার্জিস আলম ও ভাষাবিজ্ঞান বিভাগের আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। অন্যতম এ চার সমন্বয়কের সাথে আরো রয়েছেন- মো: মাহিন সরকার, আব্দুল কাদের, আবু বাকের মজুমদার, আব্দুল হান্নান মাসুদ, আদনান আবির, জামান মৃধা, মোহাম্মদ সোহাগ মিয়া, নুসরাত তাবাসসুম, রাফিয়া রেহনুমা হৃদি, মুমতাহীনা মাহজাবিন মোহনা, আনিকা তাহসিনা ( রোকেয়া হল, ঢাবি), উমামা ফাতেমা, আলিফ হোসাইন, কাউসার মিয়া, আরিফ সোহেল (জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়), রাসেল আহমেদ (চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়), আসাদুল্লাহ আল গালিব (শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়), মো: তৌহিদ আহমেদ আশিক (শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়) ও সাবিনা ইয়াসমিন (ইডেন মহিলা কলেজ)।
এদিন বেলা সাড়ে ৩টায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) থেকে মিছিল নিয়ে শিক্ষার্থীরা গুলিস্তান জিরো পয়েন্টের দিকে অগ্রসর হন। এ সময় তাঁতীবাজার মোড়, বংশাল ও ফুলবাড়িয়ায় হানিফ ফ্লাইওভারের নিচে তিন দফায় পুলিশ তাদের বাধা দিলেও তা উপেক্ষা করে জিরো পয়েন্টে অবস্থান নেন। এ সময় সচিবালয়ের পার্শ্ববর্তী সড়কসহ আশপাশের সব সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। সচিবালয়, মতিঝিল, পুরানা পল্টন ও তাঁতীবাজারগামী যাত্রীরা ব্যাপক ভোগান্তিতে পড়েন। অনেককে হেঁটে গুলিস্তানের মোড় পার হতে দেখা যায়। এ সময় শিক্ষার্থীদের মুখে ছিল কোটাবিরোধী নানা স্লোগান, প্রতিবাদী গান ও কবিতা।
বেলা সাড়ে ৩টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত আগারগঁাঁও মোড় অবরোধ করেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা (শেকৃবি) সামনে। এ সময় মিরপুর থেকে ফার্মগেট এবং শিশুমেলা থেকে মহাখালী পর্যন্ত তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়। এর আগে বেলা সাড়ে ৩টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরি থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করেন শিক্ষার্থীরা। মিছিলটি বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ স্থান প্রদক্ষিণ শেষে আগারগঁাঁও মোড়ে এসে থামে। এ সময় শিক্ষার্থীরা কোটাবিরোধী নানা স্লেøাগান দেন।
বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসের (বিইউপি) শিক্ষার্থীরা বিকেল ৪টায় মিরপুর ১২ নম্বর সাউথ পয়েন্ট স্কুলের সামনে মানববন্ধন করেন। এতে কয়েকশ শিক্ষার্থী অংশ নেন।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) শিক্ষার্থীরা বেলা ৩টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকসংলগ্ন ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক অবরোধ করেন। দুপুর আড়াইটায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে জড়ো হতে থাকেন শিক্ষার্থীরা। সেখানে থেকে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে মহাসড়কে এসে অবরোধ করেন তারা। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা পর্যন্ত গান, কবিতা আবৃত্তি, বক্তৃতার মাধ্যমে সেখানে অবরোধ কর্মসূচি পালন করেন তারা।
বেলা সাড়ে ৩টা থেকে সোয়া ৪টা পর্যন্ত নগরীর ষোলশহর রেলপথ অবরোধ করেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) শিক্ষার্থীরা। এ সময় কক্সবাজার থেকে ঢাকাগামী ট্রেনটি আটকা পড়ে। প্রায় এক ঘণ্টা পর রেলপথ অবরোধ তুলে নেন শিক্ষার্থীরা। পরে সাড়ে ৪টার দিকে নগরীর দুই নম্বর গেট মোড় অবরোধ করেন তারা। সেখান থেকে হেঁটে সোয়া ৬টার দিকে নগরীর টাইগার পাস মোড় অবরোধ করেন তারা। শিক্ষার্থীদের অবরোধের কারণে নগরীতে এক রকম অচলাবস্থা তৈরি হয়। চরম দুর্ভোগে পড়েন যাত্রীরা।
এদিকে কোটাবিরোধী আন্দোলনকারী তালাত মাহমুদ রাফিকে হত্যার হুমকি দেয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হৃদয় আহমেদ রিজভী। রিজভী শাখা ছাত্রলীগের চুজ ফ্রেন্ডস উইথ কেয়ার (সিএফসি) উপ-গ্রুপের অনুসারী এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তিযোদ্ধা সন্তান ও প্রজন্ম সংগঠনের সদস্য।
বেলা সাড়ে ১১টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) কৃষি অনুষদ ভবনসংলগ্ন ফ্লাইওভার এলাকার রেললাইন অবরোধ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। এতে রাজশাহীর সাথে সারা দেশের ট্রেনের শিডিউল বিপর্যয়ে পড়ে। পাচটি ট্রেন নির্ধারিত সময়ে গন্তব্যে পৌঁছাতে ও গন্তব্যের উদ্দেশে ছাড়তে পারেনি। রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশনের স্টেশন ম্যানেজার আব্দুল করিম বলেন- পদ্মা, সাগরদাড়ি, কপোতাক্ষ, ধূমকেতু ও বরেন্দ্র এক্সপ্রেসের শিডিউল বিপর্যয় ঘটেছে।
বেলা ১১টা থেকে মহানগরীর মডার্ন মোড়ে সড়ক অবরোধ করেছেন শিক্ষার্থীরা। এতে সারা দেশের সাথে রংপুর অঞ্চলের ছয় জেলার (রংপুর, কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট, নীলফামারী, ঠাকুরগঁাঁও ও পঞ্চগড়) সড়ক যোগাযোগ দুই ঘণ্টা বন্ধ থাকে। অবরোধে অংশ নেন রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, কারমাইকেল কলেজ, রংপুর কলেজ, বেগম রোকেয়া কলেজসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কয়েক হাজার শিক্ষার্থী। এ সময় তারা ‘কোটা প্রথা বাতিল চাই, কোনঠে বাহে জাগো সবাই’, ‘আমার দেশ আমার মা, কোটা বৈষম্য মানব না’-সহ নানা স্লোগান দেন।
বিকেল ৪টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) শিক্ষার্থীরা। এতে মহাসড়কের দু’পাশে দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হয়। এর আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের গেট থেকে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে মহাসড়কে আসেন তারা। এ সময় তারা প্রতিবাদস্বরূপ বই পড়েন এবং কবিতা আবৃত্তি করেন।
ময়মনসিংহে এদিন দুপুরে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) শিক্ষার্থীরা আব্দুল জব্বার মোড়ে রেলপথ অবরোধ করেন। এ সময় ঢাকা থেকে জামালপুরগামী জামালপুর এক্সপ্রেস ট্রেন থামিয়ে বিক্ষোভ করেন শিক্ষার্থীরা। দুপুর দেড়টা থেকে বেলা ৩টা ১০ মিনিট পর্যন্ত ট্রেনটি আটকে রাখেন তারা। পরে শিক্ষার্থীরা মুক্তমঞ্চে এসে মানববন্ধন এবং মিছিল নিয়ে ক্যাম্পাসের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করেন।
ঢাকা-বরিশাল মহাসড়ক দুপুর ১২টা থেকে বেলা ৩টা পর্যন্ত অবরোধ করেছেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) শিক্ষার্থীরা। এ সময় শিক্ষার্থীরা প্রতিবন্ধী ও অনগ্রসর জাতিগোষ্ঠীর কোটা বাদে বৈষম্যমূলক সব কোটা বাতিলের দাবি জানান। এতে মহাসড়কে অন্তত ৫ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে তীব্র যানজট দেখা দেয়। চরম দুর্ভোগে পড়েন যাত্রীরা।
