Close Menu
বিপ্লবের বীণা
    What's Hot

    পর্দায় শেখ হাসিনা হলেন সীমা, টিজারে ভারত-বাংলাদেশের টানাপোড়েন

    Facebook X (Twitter) Instagram
    Monday, March 2
    বিপ্লবের বীণা
    YouTube Facebook X (Twitter) Instagram
    • প্রচ্ছদ
    • অর্থনীতি
    • রাজনীতি
    • অপরাধ
    • জাতীয়
    • ভ্রমণ
    • শিল্প সংস্কৃতি
    • বিশ্ব
    • খেলা
    Subscribe
    বিপ্লবের বীণা
    You are at:Home » মাহেরীন : মরণেও অমর
    জাতীয়

    মাহেরীন : মরণেও অমর

    মাইস্টোন স্কুলে বিমান বিধ্বস্ত
    July 23, 2025No Comments3 Mins Read1 Views
    Facebook Twitter Pinterest Telegram LinkedIn Tumblr Email Reddit
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Pinterest WhatsApp Email

    নিজস্ব প্রতিবেদক

    ‘এনেছিলে সাথে করে মৃত্যুহীন প্রাণ, মরণে তাই তুমি করে গেলে দান’ কবিতার এই লাইন দুটি  বিশ্ব কপি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশকে উদ্দেশ্য করে লিখেছিলেন। এর মাধ্যমে তিনি বোঝাতে চেয়েছেন যে, চিত্তরঞ্জন দাশ দেশ ও মানুষের জন্য কাজ করার যে অসীম প্রাণশক্তি নিয়ে এসেছিলেন, মৃত্যুর মাধ্যমে তিনি সেই শক্তিকেই যেন সবার মাঝে দান করে গেলেন। 

    ঠিক তেমনি একটি ঘটনা ঘটেছে উত্তরায়। উত্তরার মাইস্টোন স্কুলে বিমান বিধ্বস্ত হলে সবাই যখন নিজের প্রাণ বাঁচাতে ছুটোছুটি করছে তখন নিজের জীবন দিয়ে অন্তত ২০ জন শিক্ষার্থীর প্রাণ রক্ষা করেছেন শিক্ষিকা মাহেরীন চৌধুরী। মৃত্যুর মুখে দাঁড়িয়ে নিজের দায়িত্ব থেকে একচুলও সরে যাননি। এই শিক্ষিকা  শিক্ষার্থীদের স্কুল ভবন থেকে বের হতে সহায়তা করেছেন।একপর্যায়ে নিজেই আগুনের জালে আটকে পড়েন।  শরীরের অধিকাংশ দগ্ধ হয় তার। তাকে গুরুতর অবস্থায় নেওয়া হয় জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে। ওই দিন রাত ৯টা ৪৫ মিনিটে লাইফ সাপোর্টে থাকা অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মত্যুকালে তিনি স্বামী ও দুই সন্তান ও বহু গুণগ্রা্হী রেখে গেছেন।

    এ ঘটনা জেনে মানুষ তার আত্মত্যাগের কথা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছে। এখন দেশের মানুষের চোখে সাহসিকতার প্রতীক তিনি। তার আত্মত্যাগে গর্বিত দেশবাসী। অনেকেই বলেছেন, মাহেরীন সাহসীকতার ও মানবিকতার উদাহরণ হয়ে থাকবেন। তাকে মানুষ স্মরণ করবে। মরণেও তিনি অমর হয়ে রইলেন।

    মাহেরীনের বাড়ি নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলার বগুলাগাড়ি গ্রামে। সেখানেই জন্ম নেওয়া মাহেরীন ছিলেন স্থানীয় বগুলাগাড়ি স্কুল অ্যান্ড কলেজের নির্বাহী কমিটির সভাপতি । ঢাকায় চাকরি করেও তিনি গ্রামের স্কুলের কমিটির দায়িত্ব পালন করেছেন। পারিবারিক পরিচয়েও ছিলেন একজন পরিচিত মুখ। তিনি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ভাতিজি। তার বাবা মহিতুর রহমান জিয়াউর রহমানের খালাতো ভাই। দাদি রওশানারা চৌধুরী ছিলেন জিয়াউর রহমানের খালা। বাবা মহিতুর রহমান চৌধুরী ও মা সাবেরা চৌধুরী দুজনই সমাজসেবায় সম্পৃক্ত ছিলেন।

    মঙ্গলবার বিকেল ৪টায় গ্রামের স্কুল প্রাঙ্গণে জানাজা শেষে বাবা-মায়ের কবরের পাশে তাকে দাফন করা হয়। জানাজায় অংশ নেন হাজারো মানুষ। তার মৃত্যুর গৌবর গাথা এলাকার মানুষের মুখে মুখে। মরে গিয়েও তিনি শুধু এলাকায় নয়, সারাদেশে আলোচনায় ওঠে এসেছেন। পাচ্ছেন মানুষের ভালবাসা। জীবিত অবস্তায় যেই মাহেরীনের নাম স্কুল আর নিজের এলাকার গন্ডি ও পরিচিতজনদের বাইরে কেউ জানতো না, সেই মরণে মাহেরীনের নাম হয়ে গেল বাংলাদেশময়। সামাজিক মাধ্যমে মাহরিনকে নিয়ে ব্যাপক আলোচনা। তার প্রতি জানাচ্ছেন বিনম্র শ্রদ্ধা।

    নিজের এলাকায় নামাজে জানাজার পর মাহেরীনের স্বামী মনসুর হেলাল সাংবাদিকদের বলেন, শেষ রাতে হাসপাতালে ওর সঙ্গে আমার শেষ দেখা। ও আমার হাত ধরে নিজের বুকের সঙ্গে চেপে ধরেছিল। বলেছিল, আমার সঙ্গে আর দেখা হবে না।

    ভাঙা কণ্ঠে তিনি বলেন, আমি ওকে জিজ্ঞেস করেছিলাম, তুমি তোমার নিজের দুই সন্তান, ওদের কথা একবারও ভাবলে না? সে বলেছিল, ওরাও তো আমার সন্তান। আমি তাদের একা রেখে আসতে পারিনি।

     মনসুর হেলাল বলেন, আগুন লাগার পর সবাই যখন দৌড়াচ্ছে, তখন মাহেরীন বাচ্চাদের বের করে আনছিল। কয়েকজনকে বের করে আবার ফিরে গিয়েছিল বাকি বাচ্চাদের আনার জন্য। সেই ফেরাটা আর শেষ হয়নি।

    মাহেরীনের চাচা রিকো চৌধুরী বলেন, ছোটবেলা থেকেই মাহেরীন মেধাবী ছিলেন। ঢাকায় থেকেও এলাকার মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতেন, সহযোগিতা করতেন।

    বগুলাগাড়ি এলাকার বাসিন্দা সোনালী ব্যাংকের সাবেক কর্মকর্তা মোস্তফা আজাদ  তিনি একজন সৎ, ভালো মানুষ ছিলেন। বই-খাতা কিনে দিতেন এলাকার দরিদ্র শিশুদের। আমরা একজন আদর্শ মানুষকে হারালাম।

    বগুলাগাড়ি স্কুল অ্যান্ড কলেজের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মহুবার রহমান  বলেন, তিনি শুধু একজন শিক্ষক ছিলেন না, ছিলেন মানবিক বীর। আমরা শিক্ষক সমাজ তার আত্মত্যাগে গর্বিত ও শোকাহত।

    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Reddit WhatsApp Telegram Email
    Previous Articleনিহত বেড়ে ৩২, আরও অনেকে আশঙ্কাজনক
    Next Article হাসপাতাল থেকে বাসায় ফিরেছেন ফরিদা পারভীন

    Related Posts

    গাজার শিশুরা মরতে চায়, যেন স্বর্গে গিয়ে খাবার পায়: সেভ দ্য চিলড্রেন

    August 23, 2025

    শত কোটি টাকার সাদা পাথর লুট

    August 22, 2025

    বিদেশে  পাচারের ৪০ হাজার কোটি টাকার সম্পদের সন্ধান

    August 18, 2025
    Demo
    শীর্ষ খবর

    যুক্তরাষ্ট্র শুল্ক কমাবে : অনেক বিষয়ে ঐক্যমত হয়নি

    July 12, 202513 Views

    ‘ঐ শোন বিপ্লবের বীণা’

    August 5, 202512 Views

    ব্যাংকে ডলারের দাম বাড়ছে

    June 20, 202510 Views

    ডলারের দাম বেড়ে আবার ১২২ টাকায় ওঠেছে

    July 24, 20259 Views

    ডিসেম্বরের শুরুতে নির্বাচনী তফসিল

    August 7, 20258 Views
    Don't Miss
    মিডিয়া November 9, 2025

    নভেম্বরেই মাঠে নামছে দলগুলো, রাজপথ কি উত্তপ্ত? নভেম্বরে দাবি আদায়ে রাজপথে নামছে বিএনপি, জামায়াত ইসলামীসহ…

    গাজার শিশুরা মরতে চায়, যেন স্বর্গে গিয়ে খাবার পায়: সেভ দ্য চিলড্রেন

    শনিবার জাতীয় ক্যালিগ্রাফি ও গ্রাফিতি প্রদর্শনী শুরু

    Stay In Touch
    • Facebook
    • Twitter
    • Pinterest
    • Instagram
    • YouTube
    • Vimeo

    Subscribe to Updates

    Get the latest creative news from SmartMag about art & design.

    Demo
    © 2026 ThemeSphere. Designed by ThemeSphere.
    • প্রচ্ছদ
    • অর্থনীতি
    • রাজনীতি
    • অপরাধ
    • জাতীয়
    • ভ্রমণ
    • শিল্প সংস্কৃতি
    • বিশ্ব
    • খেলা

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.